প্রকল্পর উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা

প্রকল্পর উদ্দেশ্য:

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা এবং উদ্ভিদ বৈচিত্র্যতা বৃদ্ধি করে উপকূলীয় বনায়ন ও পূন:বনসৃজনের মাধ্যমে জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাবজনিত বিপদপন্নতা হ্রাস করা।

প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা:

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় জলবায়ু পরিববর্তনের কারণে বেশি বিপদাপন্ন। এই বিপদাপন্নতা হ্রাসকরণে উপকূলীয় বনের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এছাড়া নাপা ও বিসিসিএসএপি এবং ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় উপকূলীয় বনায়নের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার উপকূলীয় এলাকায় ষাটের দশক থেকে প্রায় ১৪০০০ হেক্টর জমিতে বনসৃজন করলেও নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা, যেমন-স্থানীয় মানুষের জীবিকার বৈচিত্র্যতায় সীমাবদ্ধতা, ভূমির মালিকানা, নীতির সীমাবদ্ধতা, উপকূলীয় বন ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ না থাকা ইত্যাদি কারণে উপকূলীয় বনকে টেকসই করা সম্ভব হয়নি।

উপরোক্ত প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর করা এবং এ লক্ষ্যে ইউএনডিপি গৃহীত ও বাস্তবায়িত  সিবিএসিসি প্রকল্পের ফলাফলের আলোকে জিইএফ এর সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের বনবিভাগের মাধ্যমে এই ‘ইন্টেগ্রেটিং কমিউনিটি বেইজড এডাপ্টেশন ইন্টু অ্যাফোরস্ট্রেশন ও রিফরেস্ট্রশন প্রোগ্রাম ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে উপকূলীয় জনগোষ্ঠী ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি স্থিতিস্থাপক করা যাবে এবং উপকূলীয় বনকে টেকসই করার জন্য যুগান্তরকারী বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করা যাবে। 

UNDP Around the world

You are at UNDP Bangladesh 
Go to UNDP Global